লিউকোমিয়া: অস্থিমজ্জা ও রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থার চিকিৎসা - হেলথি টিপস ফর বিডি: স্বাস্থ সম্পর্কিত সকল তথ্য ও স্বাস্থকে ভালো রাখার উপায়

আপডেট

Post Top Ad

Post Top Ad

Thursday, September 10, 2020

লিউকোমিয়া: অস্থিমজ্জা ও রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থার চিকিৎসা


 লিউকোমিয়া

ভূন অবস্থায় যকৃৎ এবং প্লীহায় লোহিত রক্ত কণিকা  উৎপন্ন হয় শিশুদের জন্মের পর থেকে লাল অস্থিমজ্জা হতে লোহিত কণিকা উৎপন্ন শুরু হয় এগুলো প্রধানত দেহে 02  সরবরাহের কাজ করে যদি কোনো কারণে অস্বাভাবিক শ্বেত কণিকার বৃদ্ধি ঘটে তাহলে রোগের লক্ষণ গুলো প্রকাশ পায় তখন অস্থিমজ্জা অত্যাধিক হরে শ্বেত রক্তকোষ উৎপাদন করার কারণে পরোক্ষভাবে লোহিত রক্তকোষ এবং অণুচক্রিকার  উৎপাদন কমে যেতে পারে লিউকোমিয়াকে রক্তের ক্যান্সার বলা হলেও এটি আসলে রক্ত উৎপাদন-ব্যাবস্থার অস্বাভাবিক জনিত একটি রোগ এবং এতে প্রধানত যে অঙ্গটি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় তা হলো অস্থিমজ্জালোহিত রক্তকোষের অভাবে অক্সিজেনের ঘাটতি হয় যার ফলে রোগী দুর্বল বোধ করে, ফ্যাকাশে হয়ে যায় এবং শাসকষ্ট হয় অণুচক্রিকার অভাবে রক্ত জমাট বাঁধতে না পাড়ার কারণে দাঁতের গোড়া নাকসহ শরীরের বিভিন্ন স্থান থেকে অনেক সময় কোনো আঘাত ছাড়াই অস্বাভাবিক রক্ত ক্ষরণ হয় একই কারণে দেহ ত্বকে ছোট ছোট লাল বর্ণের দাগ দিতে পারে এবং পায়ের গিঁটে ব্যাথা হয়ে ফুলে উঠতে পারে বিশ্ব সাস্থ সংস্থার শ্রেণীবিভাগ অনুসারে অর্ধ শতাধিক প্রকারের লিউকোমিয়া আছে, যার বেশির ভাগেই  শ্বেত রক্তকোষের আধিক্য দেখা যায় কিন্তু অধিক হরে উৎপন্ন হলেও সেগুলো আসলে ক্যান্সার কোষ এবং শ্বেত কোষের স্বাভাবিক কাজ, রোগ প্রতিরোধে অক্ষম তাই লিউকোমিয়ায় আক্রান্ত ব্যাক্তি সহজেই বিভিন্ন রোগ-জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হন রোগ প্রতিরোধ ব্যাবস্থার অস্বাভাবিকতার কারণে দীর্ঘমেয়াদি জ্বর হতে পারে এবং লসিকা গ্রন্থি ফুলে যেতে পারে এভাবে রক্তের তিন ধরণের কোষের প্রায় প্রতিটিরই স্বাভাবিক কাজ ঠিক মতো না করতে পারা রোগের লক্ষণ তবে লিউকোমিয়ার প্রকারভেদ অনুসারে লক্ষণের তারতম্য হতে পারে  


চিকিৎসা

বর্তমানে প্রাথমিক অবস্থায় রোগ নির্ণয় করা গেলে এবং রোগীর সু-চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পারলে রোগ নিরাময় করা সম্ভব সাধারণত ক্যান্সার কেমোথেরাপি এবং অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে রোগের চিকিৎসা করা হয়, অবশ্য প্রকারভেদ অনুসারে চিকিৎসার ভিন্নতা রয়েছে একসময়  লিউকোমিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যাওয়া ছাড়া উপায় ছিল না তবে বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন করা সম্ভব এবং দেশের বহু সরকারী-বেসরকারি হাসপাতালে ক্যান্সার কেমোথেরাপির ব্যবস্থা আছে


No comments:

Post a Comment

Post Top Ad