
ঘৃতকুমারী : ঘৃতকুমারী বহুজীবী ভেষজ/ঔষধি
উদ্ভিদ এবং দেখতে অনেকটা আনারস গাছের মত হয় । বীরুৎ জাতীয় উদ্ভিদ।
পাতা লম্বা, কিনারা খাঁজ কাটা, রসাল। সাধারণতঃ শেকড় থেকে গজানো ডাল বা শাখা এর সাহায্যে এই গাছের বংশবৃদ্ধি হয়। ঘৃতকুমারীতে ভিটামিন A, B1, B2, B6, B12, C এবং E রয়েছে।
ব্যবহার্য অংশ : পাতা থেকে নির্গত ঘন পিচ্ছিল রস
ব্যবহার : ঘৃতকুমারীর পাতা ও শাঁস ব্যবহার করা হয়। পাতা থেকে নির্গত ঘন পিচ্ছিল রস কোষ্ঠকাঠিন্য রোগের ফলপ্রসু ঔষধ। এটি ক্ষুধামন্দা, জন্ডিস, লিউকোমিয়া, অর্শরোগ, কাটা - পোড়া ও ক্ষতের চিকিৎসায় ফলপ্রসু অবদান রাখে।এমনকি মাংসপেশী ও জয়েন্টের ব্যথা প্রতিরোধে ব্যবহার করা হয়। প্রসাধন দ্রব্যে এর মিশ্রণে প্রসাধনের মান উন্নত হয়। এছাড়াও যেসব রোগে ঘৃতকুমারী খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে :-
হার্ট সুস্থ রাখতে : আপনার হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে ঘৃতকুমারী / অ্যালোভেরার জুস। অ্যালোভেরা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এটি ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণ করে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে
ওজন হ্রাস করতে : ওজন কমাতে
ঘৃতকুমারী/অ্যালভেরার
জুস বেশ কার্যকরী।অ্যালোভেরা জুসের অ্যাণ্টি ইনফ্লামেনটরী উপাদান এই প্রদাহ রোধ করে ওজন হ্রাস করে থাকে।
ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে : ঘৃতকুমারীর জুস রক্তে সুগারের পরিমাণ ঠিক রাখে এবং দেহে রক্ত সঞ্চালন বজায় রাখে। ডায়াবেটিসের শুরুর দিকে নিয়মিত এর জুস খাওয়া গেলে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করা সম্ভব।
ক্যান্সার প্রতিরোধে : অ্যালোভেরাতে
রয়েছে অ্যালো ইমোডিন, যা স্তন ক্যান্সার ছড়ানো থেকে রোধ করে। এছাড়াও অন্যান্য ক্যান্সার প্রতিরোধে অ্যালোভেরা অনেক কার্যকারী ভূমিকা পালন করে থাকে।
**ঘৃতকুমারী/অ্যালোভেরার গুনাগুন বলে শেষ করা যাবে না **
No comments:
Post a Comment