
বহেড়া : বহেড়া গাছ উচ্চতায়
সর্বনিম্ন ৬০ এবং সর্বোচ্চ ১০০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয় অর্থাৎ খুবই বড় আকারের
গাছ হয় । এটি একটি শাখা - প্রশাখাযুক্ত বৃক্ষ জাতীয় উদ্ভিদ। পাতা একক, বোঁটা লম্বা। ফুল সবুজাভ সাদা, ডিম্বাকৃতির। শীত কালে এর ফল পুষ্ট হয়।
ফলে একটি করে বীজ থাকে।
ফল গোলাকৃতির বা ঈষৎ লম্বাটে।
ব্যবহার্য অংশ : ফল
প্রাপ্তিস্থান : বাংলাদেশের প্রায় সব অঞ্চলেই বহেড়ার গাছ পাওয়া যায়। উদাহরণস্বরূপ ভাওয়ালের অঞ্চল মধুপুর গড়, গাজীপুর, বগুড়া, দিনাজপুর, রামগড়, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং ভারতের ছোটনাগপুর, বিহার, হিমাচল প্রদেশ ও মধ্যপ্রদেশে এ ধরণের
গাছ বেশি দেখা যায়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বীরভুম, বাঁকুড়া ও বর্ধমানের শালবনেও এ ধরণের
গাছ প্রচুর পরিমানে জন্মে।শীতের সময় গাছ থেকে ফল সংগ্রহ করতে হয়।
ব্যবহার : ত্রিফলার অন্যতম ফল বহেড়া। বীজের শাঁস (বাদামের মতো) দুই একটি করে দুঘন্টা অন্তর এবং দিনে দুইটি করে চিবিয়ে খেলে হাঁপানি রোগ আরোগ্য হয়। বহেড়া চূর্ণ সকাল - বিকাল পানিসহ খেলে উপকার হয়। অকালে চুল পাকলে বহেড়ার বিচি বাদ দিয়ে ১০ গ্রাম ছাল নিয়ে পানি দিয়ে বাটুন। এক কাপ পানিতে গুলে পানি ছেঁকে নিন, এবার সে পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। এর ফলে চুল ওঠা বন্ধ হয়। ফল পেটের পীড়া, অর্শ, কোষ্টকাঠিন্য, ডায়রিয়া, ও জ্বরে ব্যবহার্য। ফল হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস, নাসিকা, গলার রোগ ও অজীর্ণতার ভালো ঔষধ। বীজ থেকে প্রাপ্ত তেল মাথা ঠান্ডা রাখে।
No comments:
Post a Comment