
মিষ্টি আলু
মিষ্টি আলুতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম থাকে। শিশু বাচ্চার বয়স ছয় মাস হওয়ার পর থেকে মিষ্টি আলু খাওয়াতে হবে, এতে করে শিশুর ওজন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
দুধ
দুধ একটি আদর্শ খাবার। দুধের পুষ্টি উপকারিতা বলে শেষ করা যাবে না। দুধ সাধারণত কম-বেশি আমরা সবাই খেয়ে থাকি। কিন্তু আমাদের অজান্তে দুধের ভিতর লুকিয়ে থাকে ল্যাকটিক এসিড, ভিটামিন ও অসংখ্য পুষ্টিকর উপাদান, যা আমাদের স্মরণ শক্তি বৃদ্বিতে সহায়তা করে এবং এটি শিশু বাচ্চাদের খাওয়ালে তাদের উচ্চতা ও ওজন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
ডিম
ডিমকে প্রোটিনের অন্যতম উৎস বলা হয় কারণ প্রতি ১০০ গ্রাম ডিমে রয়েছে প্রায় ১৪ গ্রাম প্রোটিন। ডিমকে কুসুম গরম পানিতে সিদ্ধ করে শিশু বাচ্চাকে ডিমের কুসুম খাওয়ালে শিশুর মেধার বিকাশ ঘটে পাশাপাশি শিশুর ওজন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ওজন বুদ্ধিতে প্রোটিনের ভূমিকা অপরিসীম।
ক্যালোরিযুক্ত খাবার
বাদামের গুঁড়া খাবারের সাথে মিশিয়ে খাওয়ালে বাচ্চার ওজন বৃদ্বিতে সহায়তা করে। ফলের রস বা জুস বাচ্চাদের খাওয়ালে তাদের শক্তি যোগায় এবং ওজন বৃদ্ধি করে।
মাখন
চর্বি বা ফ্যাটের অন্যতম উৎস মাখন।বড়দের জন্য মাখন কিছুটা নিষিদ্ধ থাকলেও ছোটদের জন্য নিষিদ্ধ নয়। শিশু বাচ্চাদের বয়স বয়স ছয় মাস হওয়ার পর থেকে মাখন খাওয়ালে তাদের ওজন বৃদ্ধি পায়।
কলা
শিশু বাচ্চাদের ওজন বৃদ্ধি করার জন্য কলাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কলাতে অধিক পরিমানে পটাশিয়াম, ভিটামিন সি, ফাইবার ও ভিটামিন বি ৬ রয়েছে। এছাড়াও কলা শিশুদের দৈহিক বৃদ্ধিতে অবদান রাখে।
No comments:
Post a Comment