
মাদকাসক্তি
নিয়ন্ত্রণ
কোনো ব্যাক্তি মাদকে আসক্ত হলে তা বন্ধ করা বেশ কঠিন কাজ। কারণ মাদকে আসক্ত মানুষ, নিজের শরীরে মাদকের কুপ্রভাব বুজতে পেরেও সেটা ছাড়তে পারে না।
আসক্ত ব্যাক্তিকে, মাদক সেবন করা বন্ধুদের কাছ থেকে আলাদা করতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে, কোনোভাবে যাতে মাদক তার কাছে পৌঁছাতে না পারে।আসক্ত ব্যাক্তিকে মানসিক চিকিৎসা করতে হবে যাতে করে সে মাদকের কথা মনে না থাকে এবং তাকে যে কোনো কাজে যুক্ত করতে হবে। আসক্ত ব্যাক্তির কাছ থেকে হঠাৎ করে মাদক বন্ধ করা যাবে না এতে তার শারীরিকভাবে বিপজ্জনক হতে পারে। তার ঘুম ঠিক মতো না হলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী শিথিল কারক ঔষধ কিংবা ঘুমের ঔষধ দিয়ে চিকিৎসা করতে হবে।
মাদক সেবনের ফলে শুধু আসক্ত ব্যাক্তির ক্ষতি হয় না বরং তার পরিবারের সবার বিভিন্ন সমস্যা এবং বিশৃংখলা সৃষ্টি হয়। মাদকের কারণে অনেক মানুষ এবং সমাজজীবনে ভয়াবহ দুর্যোগের কালো ছায়া নেমে আসে। ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ালেখা নষ্ট হওয়া থেকে শুরু করে সামাজিক অপরাধ বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। মাদকাসক্তির কারণে অল্প বয়সে অকালমৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। তাই মাদকদ্রব্য সেবন ও এর ব্যবসা বাণিজ্য কঠোর ভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
মাদকাসক্তি নিয়ন্ত্রণ রাখার জন্য কিছু প্রচেষ্টা রাখা প্রয়োজন যেমন :-
সামাজিক প্রচেষ্টা
১. মাদকাসক্ত ব্যাক্তিদের খুঁজে বের করা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা।
২. মাদকাসক্ত ব্যাক্তিকে পরামর্শ দেওয়া।
সরকারি প্রচেষ্টা
১. মাদক সেবন বিক্রয় নিষিদ্ধ করা।
২. মাদক সেবনের কুপ্রভাব গুলো সরকারি ও বেসরকারি প্রচার মাধ্যম দ্বারা মানুষকে অবহিত করা।
No comments:
Post a Comment