
ড্রাগ বা মাদক
ড্রাগ এমন কিছু পদার্থ যা জীবিত প্রাণী গ্রহণ করলে তার এক বা একাধিক স্বাভাবিক আচরণের পরিবর্তন ঘটে।
প্রতিনিয়ত মাদক সেবনের কারণে, মানুষের সাথে মাদকের এক ধরণের দৈহিক ও মানসিক সম্পর্ক গড়ে উঠে। উল্লেখযোগ্য মাদক গুলো হলো :- বিড়ি, সিগারেট, আফিম, হেরোইন, মদ, পেথিড্রিন, বারবিচুরেট, কোকেন, চরস, মারিজুয়ানা ।
যারা মাদক সেবন করে তাদের কিছু লক্ষণ থাকে এবং মাদকে আসক্ত হওয়ার পিছনে পরিবার ও পরিবেশগত কারণ রয়েছে।
মাদকাসক্তির লক্ষণ
১. কর্মবিমুখতা ও হতাশা।
২. খাওয়ার প্রতি আকর্ষণ কমে যাওয়া।
৩. সবসময় অগোছালোভাবে থাকা।
৪. কোনো কিছুতে আগ্রহ না থাকা এবং ঘুম না হওয়া।
৫. চোখ লাল হওয়া।
৬.শরীরে অত্যাধিক ঘাম বের হওয়া।
৭. সবসময় নিজেকে সবার থেকে দূরে রাখা।
৮. আলস্য ও উদ্ভিগ্ন ভাব।
মাদকে আসক্ত হওয়ার পরিবারের কারণ
১. বাবা-মায়ের নিয়ন্ত্রণের অভাব।
২. হতাশা।
৩. একাকিত্ব ও নিঃসঙ্গতা।
৪. সন্তানের বেপরোয়া ভাবকে প্রশ্রয় দেওয়া।
৫. পরিবার থেকে বিচ্ছিন্নতা।
৬. সন্তানের প্রতি যত্ন হীনতা।
৭. মানসিকতার অভাব।
৮. খারাপ সহচর্য।
পরিবেশগত কারণ
১. মাদকদ্রব্যের সহজলভ্যতা।
২. বেকারত্ব।
৩. অসামাজিক পরিবেশ।
৪. অল্প বয়সে স্কুল ছেড়ে দেওয়া।
৫. সিনেমা কিংবা কোনো টিভি সিরিয়াল দেখা।
৬. আশেপাশে মাদকের রমরমা ব্যবসা।
৭. পেশাগত কারণ।
৮. অসামাজিক কাজ ও অপরাধ বেশি হয় সেখানে বাস করা।
৯. খারাপ বন্ধুদের সাথে মেলামেশা করা।
No comments:
Post a Comment