
মসলা জাতীয় ফসলের মধ্যে আদা বেশ জনপ্রিয় ও অন্যতম।আদা মসলার অন্তর্ভুক্ত হলেও এটি রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতার দিক থেকে বেশ উন্নত। ভেষজ বা ঔষধি উদ্ভিদ হিসেবে আদা অনেক খ্যাতিমান। মূলত আদা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ব্যাবহৃত হয় খাদ্যশিল্প তৈরিতে। তাছাড়াও সুগন্ধি তৈরিতেও আদাকে ব্যবহার করা হয়।
বাংলাদেশের বেশ কিছু অঞ্চল যেমনঃ রংপুর, পঞ্চগড়, টাঙ্গাইল, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, ময়মনসিংহ এবং পাহাড়ি অঞ্চলগুলোতে আদার চাষ করা হয়।
আদাতে বিদ্যামান পুষ্টিগুণঃ-
- পানি : ৮০.৮ শতাংশ , আমিষ : ২.৩ শতাংশ
- শ্বেতসার : ১২.৩ শতাংশ , ফাইবার বা আঁশ : ২.৪ শতাংশ
- খনিজ পদার্থ : ১.২ শতাংশ
তাছাড়াও প্রতি ১০০ গ্রাম আদাতে রয়েছে :
- কার্বোহাইড্রেট : ১৭ গ্রাম , ফসফরাস : ৩৪ মিলি গ্রাম
- শক্তি বা ক্ষমতা : ৮০ ক্যালোরি , পটাশিয়াম : ৪১৫ মিলি গ্রাম
- ফ্যাট : ০.৭৫ গ্রাম
আদার উপকারিতাঃ
- হার্ট সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
- জ্বর, ঠান্ডা-কাশি কমিয়ে আনতে সাহায্য করে।
- বসন্ত রোগের (আদার রস) জন্য উপকারী।
- আদার পেস্ট ব্যাবহারে চুলকে আদ্র রাখে।
- শরীরকে ঠান্ডা রাখে আদার রস।
- আদার রসের সাথে মধু মিশিয়ে খেলে হাঁপানি রোগ থেকে উপশম পাওয়া যায়।
- ওজন হ্রাস করতে সাহায্য করে।
- চুলের খুশকি কমিয়ে আনে।
- দাঁতের মাড়িকে মজবুত রাখে।
- মাইগ্রেনের ব্যাথা এবং সকল ধরণের ব্যাথাকে দূর করে।
- বমি-বমি ভাব হলে কাঁচা আদা খেতে পারেন।
- দাঁতের চিপা-চাপায় লুকানো জমে থাকা জীবাণুকে ধ্বংস করে আদার রস।
- উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।
- রক্ত প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে রাখে।
- ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে।
- গ্যাস্ট্রিক বা আলছার দূর করে।
- চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে।
No comments:
Post a Comment