
কোষ্ঠকাঠিন্য
এটি কোনো বিশেষ ধরনের রোগ নয়। যখন কারো শক্ত পায়খানা হয় কিংবা দুই বা তারও বেশি দিন পায়খানা হয় না তখন এই অবস্থা কে কোষ্ঠকাঠিন্য বলা হয়। বিভিন্ন কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে যেমন :- পায়খানার বেগ চেপে রাখলে, বৃহদন্ত্রে অপাচ্য খাদ্যাংশ থেকে অতিমাত্রায় পানি শোষিত হলে, পোষ্টিক নালির মধ্য দিয়ে খাদ্যের অপাচ্য অংশ ধীরে ধীরে গমনে মল থেকে বেশি পানি শোষিত হলে। আবার পরিশ্রম না করলে, আন্ত্রিক গোলযোগে, কোলনের মাংসপেশি স্বাভাবিকের তুলনায় ধীরে ধীরে সংকুচিত হলে, রাফেজ বা আঁশযুক্ত খাবার না খেলেও কোষ্ঠকাঠিন্য হওয়ার সম্ভবনা অনেকাংশে বেড়ে যায়।
কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণে মল ত্যাগ কষ্টদায়ক হয়। ফলে পেটে অস্বস্থিকর অবস্থা, পেট ব্যাথা ও নানা রকম আনুষাঙ্গিক অসুবিধার সৃষ্টি হয়। দীর্ঘমেয়াদী কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে হার্নিয়াসহ বিভিন্ন জটিলতার রোগ সৃষ্টি হতে পারে। আবার পরিপাক নালির টিউমার সহ বিভিন্ন অসুখের লক্ষণ হিসেবে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।
কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিকারে যা করতে হবে তা হলো:-
১. আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া।
২. প্রচুর পানি পান করা।
৩. নিয়মিত শাক-সবজি খাওয়া।
৪. আপেল, নারকেল, খেজুর, আম, কমলা, পেঁপে, আনারস, কোলা ইত্যাদি ফল খাওয়া।
৫. নিয়মিত মল ত্যাগের অভ্যাস করা।
৬. হাঁটা চলার অভ্যাস গড়ে তোলা।
No comments:
Post a Comment