ডায়াবেটিসের লক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করা যায় যেভাবে - হেলথি টিপস ফর বিডি: স্বাস্থ সম্পর্কিত সকল তথ্য ও স্বাস্থকে ভালো রাখার উপায়

আপডেট

Post Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, August 19, 2020

ডায়াবেটিসের লক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করা যায় যেভাবে

ডায়াবেটিস এক ধরনের বিপাকজনিত রোগ

আমরা সাধারণত যা কিছু খাই, সব কিছুই গ্লুকোজে পরিণত হয়ে মানবদেহের রক্তে প্রবেশ করে। 

ইনসুলিন নামে এক ধরণের হরমোন থাকে যা গ্লুকোজ কে শক্তিতে রূপান্তরিত করে। মানুষের রক্তে 

গ্লুকোজের স্বাভাবিক মাত্রা হলো ৪.০-৬.০m কিংবা ৭০-১১০ ডেসি লিটার। ডায়াবেটিস হলে মানবদেহে 

রক্তের পরিমান দীর্ঘস্থায়ী ভাবে কিছুটা বেড়ে যায়। ডায়াবেটিস আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তে শর্করার পরিমান 

বেশি থাকায় এটি দেহের বিভিন্ন অঙ্গের যেমন:- হৃদপিন্ড, কিডনি, চোখ ইত্যাদির স্বাভাবিক কাজে বাধা

সৃষ্টি করে থাকে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, ডায়াবেটিস রোগীদের করোনারি হৃদরোগ হওয়ার প্রবণতা

বেশি থাকে। এটি হৃদপিন্ড কে অচল করে দেয় ফলে রোগী স্ট্রোক হয়ে মারা যেতে পারে। ডায়াবেটিস

রোগ হলে রক্তচাপ বেড়ে যায় ফলে এর থেকে উচ্চ রক্তচাপ কিংবা হাইপারটেনশন হয়। ডায়াবেটিস 

রোগীদের শর্করার মাত্রা অনিয়ন্ত্রিত হলে তাদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার আশংকা খুব বেশি থাকে।


ডায়াবেটিস রোগের লক্ষণ

   ১.চামড়া শুকিয়ে যাওয়া।

   ২. চোখে ঝাপসা দেখা কিংবা চোখে কম দেখা।

   ৩.ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া বিশেষ করে রাতে অতিরিক্ত মাত্রায় প্রস্রাব হওয়া।

    ৪.শরীরের কোথাও ক্ষত সৃষ্টি হলে, তা দেরিতে শুকানো।

    ৫.খুব বেশি পিপাসা লাগা।

    ৬.শারীরিক দুর্বলতা অনুভব করা।


ডায়াবেটিস রোগের নিয়ন্ত্রণ

   ১. খাদ্য নিয়ন্ত্রণ : মোটা লোকদের ডায়াবেটিস হলে তাদের ওজন স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত 

খাদ্যদ্রব্য ডাক্তারি পরামর্শ অনুযায়ী খেতে হবে। ডায়াবেটিস রোগীদের একটুও চিনি বা মিষ্টি খাওয়া 

যাবে না। ডায়াবেটিস রোগীদের প্রোটিনসমৃদ্ধ (গাঢ় সবুজ রঙের শাক সবজি, মাশরুম, বাদাম, মাছ, 

ডিম,চর্বি ছাড়া মাংস) খাবার খাওয়া উচিত। খাবারে যাতে শ্বেতসার কম থাকে।

   ২. ঔষধ সেবন : সকল ডায়াবেটিস রোগীকে খাদ্য নিয়ন্ত্রণ ও শৃংখলা মেনে চলতে হবে। বিশেষ 

করে, বয়স্ক রোগীদের এ দুটি নিয়ম ঠিকমত পালন করলে রোগ নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। কিন্তু ইনসুলিন 

নির্ভর রোগীদের ক্ষেত্রে ইন্সুলিন ইনজেকশন দেওয়ার দরকার হয়।

   ৩. জীবন যাপন : শৃংখলা ডায়াবেটিস রোগীর জীবন-কাঠি।রোগীকে সবসময় সকল বিষয়ে নজর 

দিতে হবে।:-

         *নিয়মিত ও পরিমাণমতো ব্যায়াম করতে হবে।

         *নিয়মিত ও পরিমাণমতো সুষম খাবার খেতে হবে।

         *চিনি কিংবা মিষ্টি খাওয়া সম্পূর্ণ ছেড়ে দিতে হবে।


No comments:

Post a Comment

Post Top Ad